মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

মীর মশাররফ হোসেন মিউজিয়াম ও ডাশা গণকবর

মীর মশাররফ হোসেন

(নভেম্বর ১৩, ১৮৪৭ - ১৯১২) ছিলেন একজন বাঙ্গালী ঔপন্যাসিক,নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তিনি তৎকালীন বৃটিশ ভারতে (বর্তমান বাংলাদেশ) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর লেখাপড়ার জীবন কাটে প্রথমে কুষ্টিয়ায়, পরে ফরিদপুরের পদমদীতে ও শেষে কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় হয় ফরিদপুরের নবাব এস্টেটে চাকরি করে। তিনি কিছুকাল কলকাতায় বসবাস করেন।

মীর মশাররফ হোসেন তাঁর বহুমুখী প্রতিভার মাধ্যমে উপন্যাস, নাটক, প্রহসন, কাব্য ও প্রবন্ধ রচনা করে আধুনিক যুগে মুসলিম রচিত বাংলা সাহিত্যে সমৃদ্ধ ধারার প্রবর্তন করেন। সাহিত্যরস সমৃদ্ধ গ্রন্থ রচনায় তিনি বিশেষ কৃতিত্ব দেখান। কারবালার বিষাদময় ঘটনা নিয়ে লেখা উপন্যাস "বিষাদসিন্ধু" তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা। তাঁর সৃষ্টিকর্ম বাংলার মুসলমান সমাজে আধুনিক সাহিত্য ধারার সূচনা করে।

 

ডাশা গণকবর

২০ শ্রাবণ ছিল খোকসা-কুমারখালীর সীমান্তবর্তী চাষি ক্লাব যুদ্ধ দিবস। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে (বাংলা ২০ শ্রবাণ ১৩৭৮ সাল) ৫ মুক্তিযোদ্ধা- ইকবাল, আনসার, লুৎফর, কুদ্দুস ও গোপাল শহীদ হন। তাদেরকে সমাহিত করা হয় কুষ্টিয়া লাঙলবাঁধ জিকে রোডের পাশে একটি কবরে। কুমারখালী উপজেলাধীন সান্দিয়াড়া-ডাশায় অবস্থিত' ৭১ এর স্মৃতি বিজড়িত এই গণকবরটি এলাকাবাসীর শ্রদ্ধার স্থান। লাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের স্থানীয় জনতা ও রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতায় ২৮ নভেম্বর ২০১৪ সালে রক্তঋণ নামে ডাশা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২৫ মে মার্চ ২০১৫ তারিখে ফল উন্মোচন করা হয়।